, ,

আধুনিক কলা চাষের গুরুত্বপূর্ণ টিপস

সদ্য লাগানো কলার চারা মাটিতে প্রস্তুত অবস্থায়
সদ্য লাগানো কলার চারা মাটিতে প্রস্তুত অবস্থায়

চারা রোপণের প্রস্তুতি

বর্ষা শেষের আশ্বিন–কার্তিক মাসে করেছি গর্ত, প্রায় ৬০×৬০×৬০ সেমি। মাটির সাথে ব্যবহার করেছি পচা গোবর ও টিএসপি সার, যা দেয়া যায় “slow‑release fertilizer”–এর মতো কার্যকর ফলন বৃদ্ধির জন্য,,

এক মাস বয়সী সবুজ ও সুস্থ কলার গাছ
চারা রোপণের এক মাস পর, কলাগাছের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ

Sword sucker ব্যাবহার

ছবিতে দেখা যাচ্ছে সুস্থ ও শক্তিশালী তেউড়ের ব্যবহার—যেমন Sword sucker, যা বীজের বদলে নেওয়ায় রোগমুক্ত ও দ্রুত ফলন পাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায় ।

সেচ ও আগাছা নিয়ন্ত্রণ

পরিচর্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সঠিক সেচ ও আগাছা পরিষ্কার। বাংলাদেশে সুবিধাজনক আবহাওয়া ও মাটিতে ৪–১০ ইঞ্চি সেচ প্রাপ্য প্রতি মাসে যেহেতু কলার জন্য ভালো ।

কলাগাছের গোড়ায় সার ও আগাছা পরিষ্কার
ফলন বাড়াতে গাছের গোড়ায় সার প্রয়োগ ও আগাছা পরিষ্কার

৪. সঠিক পোকা ও রোগ নিয়ন্ত্রণ

বাংলাদেশে পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ে IPM (Integrated Pest Management) পদ্ধতি অনুসরণ করে নিরাপদ কীটনাশক স্প্রে করা উচিত

কলাগাছে প্রথম কাঁদি দেখা যাচ্ছে
কলাগাছে কাঁদি ধরার প্রাক-মুহূর্ত

কাঁদি কাটার মুহূর্ত

যখন কলার গুচ্ছ গাছে ধরায়, তখন সঠিক সময়ে কাঁদি কেটে নেয়া জরুরি। ফলে রোগ-প্রবণতা কমে এবং পরবর্তী চক্র ভালো হয়।

পাকা কলা সংরক্ষণ

১৩–১৪ °C তাপমাত্রা ও ৯৫–১০০% আপেক্ষিক আর্দ্রতায় কলা ধরে রাখলে ১৫–২০ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। এছাড়া কাঠের গুড় ব্যবহার করে সংরক্ষণ করলে প্রায় ৩০ দিন সহন হয়।

পাকা কলার কাঁদি কাটার মুহূর্ত
সতর্কভাবে কলার কাঁদি কাটা হচ্ছে

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *